সেন্ট জনস, অ্যান্টিগা ও বারবুডায় কমনওয়েলথ হেডস অব গভর্নমেন্ট মিটিং (সিএইচওএম)-এর ফাঁকে সোমবার এই বৈঠক হয়। বৈঠকে যুক্তরাজ্যের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের শক্তিশালী রপ্তানি এবং বাংলাদেশে ব্রিটিশ বিনিয়োগের কথা উল্লেখ করে দুই মন্ত্রী দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের অগ্রগতিতে সন্তোষ জানান।
বৈঠকে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকাবাহী সংস্থার জন্য এয়ারবাস বিমান কেনার চুক্তি, জলবায়ু পরিবর্তন, নিরাপদ ও নিয়মিত অভিবাসন এবং মানবিক সহায়তাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। দুই মন্ত্রী বহুপক্ষীয় ফোরামে পারস্পরিক সমর্থন বাড়াতে সম্মত হয়েছেন।
যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রায় ১০ লাখ জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিককে (রোহিঙ্গা) আশ্রয় দেওয়ার জন্য বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানান এবং রোহিঙ্গাদের জন্য ব্রিটিশ মানবিক সহায়তা অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বাস দেন। ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীকে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।





💬 মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই।